লাল আটার রুটি (২টি), ১ বাটি সবজি ভাজি (কম তেলে রান্না), ১টি ডিমের সাদা অংশ (নন-ভেজ হলে)।
১ কাপ গ্রিন টি এবং ৫-৬টি কাঠবাদাম।
লাল চালের ভাত (১.৫ কাপ), ১ বাটি ঘন ডাল, বড় এক বাটি মিক্সড সবজি, ১০০ গ্রাম পনির বা সয়া কারি।
লাল চালের ভাত (১.৫ কাপ), ১ বাটি ঘন ডাল, বড় এক বাটি মিক্সড সবজি, ১ টুকরো মাঝারি মাছ বা চামড়া ছাড়া মুরগির মাংস।
মুড়ি ১ কাপ অথবা ১টি ছোট আপেল বা পেয়ারা।
লাল আটার রুটি (১টি) অথবা ওটস ১ বাটি, সবজি ও পাতলা ডাল ১ বাটি।
চিনি, মিষ্টি, কোল্ড ড্রিঙ্কস, ফাস্ট ফুডঅতিরিক্ত তৈলাক্ত ও ভাজা পোড়া খাবারডালডা, ঘি, মাখন এবং চর্বিযুক্ত মাংস
দৈনিক ৫ গ্রামের কম (১ চা চামচ), আয়োডিনযুক্ত লবণ। পাতে বাড়তি কাঁচা লবণ খাওয়া যাবে না।
ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাবেন। দৈনিক ৩০-৪৫ মিনিট দ্রুত হাঁটার অভ্যাস করুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
লাল আটার রুটি (২টি), শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে, ১টি ডিম সিদ্ধ (কুসুম ছাড়া)।
১টি টক ফল (যেমন: আমড়া, জাম্বুরা বা পেয়ারা)।
লাল চালের ভাত (১.২ কাপ) বা ওটস, প্রচুর শাকসবজি, সালাদ, ১ বাটি ঘন ডাল ও টফু।
লাল চালের ভাত (১.২ কাপ) বা ওটস, প্রচুর শাকসবজি, সালাদ, ১ টুকরো মাছ বা মুরগির মাংস।
১০-১২টি চিনাবাদাম বা কাঠবাদাম, চিনি ছাড়া চা।
লাল আটার রুটি (১.৫টি), ১ বাটি সবজি এবং পাতলা ডাল।
চিনি, গুড়, মধু ও মিষ্টি জাতীয় খাবারপ্যাকিংজাত জুস ও কোমল পানীয়ময়দা, সাদা ভাত ও মিষ্টি ফল অতিরিক্ত খাওয়া
দৈনিক ৫ গ্রামের কম। ডায়াবেটিসের সাথে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে লবণের পরিমাণ আরও কমাতে হবে।
খাবার খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় মেনে চলুন। প্রতিবেলা খাবারের পর হালকা হাঁটাচলা করুন। মিষ্টি ফল পরিমিত খাবেন।
ওটস বা লাল আটার রুটি (২টি), কম লবণে রান্না করা সবজি, ১টি ডিম সিদ্ধ।
১টি কলা বা পেয়ারা এবং ১ কাপ গ্রিন টি।
লাল চালের ভাত (১.৫ কাপ), শাকসবজি তরকারি, সালাদ (লবণ ছাড়া), ডাল ও বাদাম।
লাল চালের ভাত (১.৫ কাপ), শাকসবজি তরকারি, সালাদ (লবণ ছাড়া), ১ টুকরো সামুদ্রিক মাছ বা মুরগির বুক।
এক মুঠো ভাজা ছোলা বা বাদাম (লবণ ছাড়া)।
লাল আটার রুটি (১.৫টি), সবজি মিক্সড ১ বাটি, ১ কাপ টকদই।
কাঁচা লবণ, টেস্টিং সল্ট, আচার, চিপসক্যানজাত বা প্রক্রিয়াজাত খাবার ও সসচর্বিযুক্ত লাল মাংস (গরু, খাসি)
⚠️ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত: দৈনিক ৩-৪ গ্রামের বেশি নয় (অর্ধেক চা চামচ)। পাতে কোনো কাঁচা লবণ নেওয়া যাবে না।
পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন কলা, ডাবের পানি ডায়েটে রাখুন। মানসিক চাপ মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।
লাল আটার রুটি (১.৫-২টি), কম পটাশিয়ামযুক্ত সবজি ভাজি (যেমন: লাউ/ঝিঙে/চিচিঙ্গা পানি নিংড়ে রান্না করা), ১টি ডিমের সাদা অংশ (নন-ভেজ হলে)।
১টি আপেল (খোসা ছাড়া) অথবা ১ টুকরো পাকা পেঁপে।
সাদা ভাত (১.৫ কাপ), পাতলা ডাল (অল্প পরিমাণ - যদি ডাক্তার অনুমতি দেন), কম পটাশিয়ামযুক্ত সবজির তরকারি।
সাদা ভাত (১.৫ কাপ), কম পটাশিয়ামযুক্ত সবজির তরকারি, ১ টুকরো রুই/কাতল মাছ অথবা চামড়া ছাড়া মুরগির মাংস (ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের নির্ধারিত মাপে)।
১ কাপ মুড়ি ভাজা বা সাগু দানা দিয়ে তৈরি হালকা নাস্তা।
সাদা ভাত (১ কাপ) বা লাল আটার রুটি (১.৫টি), সবজি এবং সামান্য পরিমাণ মাছ বা ডিমের সাদা অংশ।
উচ্চ পটাশিয়ামযুক্ত খাবার: ডাবের পানি, কলা, আলু, টমেটো, শাক, মাল্টা, কামরাঙ্গাউচ্চ ফসফরাসযুক্ত খাবার: কোল্ড ড্রিঙ্কস, প্যাকেটজাত খাবার, শুটকি মাছ, কলিজা, অতিরিক্ত দুগ্ধজাত পণ্যঅতিরিক্ত প্রোটিন ও ডাল (জিএফআর লেভেল অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত)
🚨 অত্যন্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত: দৈনিক ২-৩ গ্রামের বেশি নয় (১/৪ চা চামচ)। রান্নায় লবণের পরিমাণ সর্বনিম্ন রাখতে হবে। কাঁচা লবণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
১. দৈনিক তরল বা পানির পরিমাণ নেফ্রোলজিস্ট বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী মেপে পান করতে হবে। ২. সবজি রান্নার আগে ছোট টুকরো করে কেটে গরম পানিতে সেদ্ধ করে পানি ফেলে দিলে (Leaching) পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যায়। ৩. কামরাঙ্গা ফল কিডনি রোগীদের জন্য সম্পূর্ণ বিষাক্ত, এটি কখনই খাওয়া যাবে না।
ঘি বা মাখনে হালকা ভাজা লাল আটার রুটি (২টি), ২টা সম্পূর্ণ ডিম সিদ্ধ (কুসুমসহ), ১টি কলা।
১ গ্লাস ঘন দুধ বা মিল্কশেক এবং এক মুঠো মিক্সড বাদাম ও কিসমিস।
ভর্তি ১ থালা ভাত (২.৫ কাপ), ঘন ডাল ১ বাটি, আলু ভর্তা বা সবজি তরকারি, ১ বাটি পনির তরকারি।
ভর্তি ১ থালা ভাত (২.৫ কাপ), ঘন ডাল ১ বাটি, আলু ভর্তা বা সবজি তরকারি, বড় ১ টুকরো চর্বিহীন মাংস বা মাছ।
ডিম বা সবজি নুডলস অথবা সুজির হালুয়া।
ভাত বা রুটি পর্যাপ্ত পরিমাণে, মাছ/মাংস/ডাল এবং সবজি। শোবার আগে ১ গ্লাস হালকা গরম দুধ।
অস্বাস্থ্যকর জাঙ্ক ফুড ও অতিরিক্ত কোমল পানীয়
স্বাভাবিক পরিমিত পরিমাণ (দৈনিক ৫ গ্রাম)।
খাবারে ক্যালরির ঘনত্ব বাড়াতে বাদাম, কিসমিস, ঘি, মধু যুক্ত করুন। পুষ্টিকর ও ভারী খাবার অল্প সময় পর পর খাবেন।
No comments